নমাজ পড়ার ঘরের দাবিতে উত্তাল যোগী আদিত্যনাথের বিধানসভা

যোগী আদিত্যনাথ
শেয়ার করুন

পৃথক নমাজ রুমের দাবিতে উত্তাল উত্তর প্রদেশ বিধানসভা কক্ষ। এই বিক্ষোেভর কারণ ঝাড়খণ্ড। কারণ ঝাড়খণ্ড সরকার বিধানসভায় পৃথক নমাজ রুম করে দিয়েছে। অধিবেশন চলাকালীন যেখানে সংখ্যালঘু বিধায়করা গিয়ে নমাজ পড়তে পারেন। ঝাড়খণ্ড সরকারের মতো উত্তর প্রদেশেও বিধানসভায় তৈরি করা হোক পৃথক নমাজ রুম। দাবি তুলে বিধানসভা বিক্ষোভ দেখান সমাজবাদী পার্টি নেতারা।

তাঁরা দাবি করেছেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলিতে পর্যন্ত আলাদা করে ইবাদত করার ঘর থাকে। তাহলে কেন বিধানসভায় থাকবে না। কানপুরে এক বিধায়ক দাবি করেছেন, গত ১৫ বছর ধরে তিনি বিধায়ক রয়েছেন। অধিবেশন চলার সময় তাঁদের নমাজ পরার জন্য বিধানসভা েথকে বেরিয়ে মসজিদে যেতে হয়। যদি বিধানসভার মধ্যেই একটি নমাজ পড়ার কক্ষ বরাদ্দ করা হয় তাহলে আর অধিবেশন অংশ না নিয়ে নমাজ পড়তে যেতে হয়না তাঁদের। এতে সুবিধা হয় সকলেরই।

গত ২ সেপ্টেম্বর ঝাড়খণ্ড বিধানসভায় বিধায়কদের নমাজ পড়ার জন্য একটি পৃথর ঘরের কথা ঘোষণা করে। স্পিকার ঘোষণা করেছিলেন বিধানসভার টিডবলু-৩৪৮ নম্বর ঘর সংখ্যালঘু বিধায়করদের নমাজ পড়ার জন্য বরাদ্দ করা হল। কংগ্রেস এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেও বিজেপি প্রবল বিরোধিতা করে। বিজেপি অভিযোগ করেছে অসাংবিধানিক কাজ করছে ঝাড়খণ্ড সরকার। এভাবে বিধানসভায় কোনও একটি ধর্মের প্রার্থনা করার জন্য ঘর বরাদ্দ করা হতেপারে না বলে অভিযোগ করেছে তারা।

বিধায়ক সোলাঙ্কি দািব করেছেন সব আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেই পৃথর ইবাদত ঘর থাকে। তাহলে বিধানসভায় কেন হবে না। স্পিকার এই দিকে বিশেষ নজর দিন। বলে অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে সামনেই উত্তর প্রদেশের বিধানসভা ভোট। যোগী সরকারকে চাপে রাখতে সবরকম কৌশলই নিচ্ছে বিরোধীরা। যোগীর জনপ্রিয়তা যে অনেকটাই কমেছে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। বিজেপিও একটু চাপে রয়েছে। তার মধ্যে বিধানসভায় পৃথক নমাজ রুমের দাবি বেশ শোরগোল ফেলে দিয়েছে। সংখ্যালঘু ভোটকে হাতে রাখতে সমাজবাদী পার্টি এই ইস্যুটিকে জাগিয়ে রাখবে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। সমাজবাদী পার্টি এই নিয়ে কোমর কষতে শুরু করেছে । বিধানসভায় এই নিয়ে বিক্ষোভ যে আরও বাড়বে তাতে কোনও সন্দেহ নেই।

You may also like...